Wednesday, March 5, 2025

 সৌদি যাওয়ার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া: গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা


যারা সৌদি যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বা ইতোমধ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন, তাদের জন্য এই পোস্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করুন এবং আপনার ফেসবুক ওয়ালে রেখে দিন যাতে অন্যরাও উপকৃত হতে পারেন।


---


১. মেডিকেল পরীক্ষা (Medical Test)


সৌদি যাওয়ার প্রথম ধাপ হলো মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা।


✅ মেডিকেল খরচ:


সাধারণ মেডিকেল ফি: ৮,৫০০ টাকা


মেডিকেল স্লিপ ফি: ১০ ডলার


📌 কীভাবে মেডিকেল স্লিপ সংগ্রহ করবেন?

👉 Wafid.com থেকে মেডিকেল স্লিপ সংগ্রহ করুন:

https://www.wafid.com/


👉 যদি ডলার কার্ড না থাকে, তাহলে এজেন্সির সহায়তা নিন।


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ:

একবার মেডিকেলে "Unfit" হলে, সেই পাসপোর্ট দিয়ে আপনি আর সৌদি যেতে পারবেন না। তাই মেডিকেল পরীক্ষার আগে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিন।


---


২. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (Police Clearance)


মেডিকেল "FIT" হওয়ার পর পরবর্তী ধাপ হলো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।


✅ সময়:


কমপক্ষে ৭ দিন সময় লাগে।


অভিজ্ঞ ব্যক্তির মাধ্যমে আবেদন করুন।


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ:


ঠিকানা অনুযায়ী থানায় ক্লিয়ারেন্স করুন।


ভুল থানায় ক্লিয়ারেন্স করলে ভিসা বাতিল হতে পারে।


---


৩. মোফা ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট (MOFA & Fingerprint)


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর এজেন্সির মাধ্যমে MOFA আবেদন করুন এবং তাশিরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন।


✅ ফিঙ্গারপ্রিন্ট খরচ:


সাধারণ ফিঙ্গারপ্রিন্ট: ৬০০+ টাকা


VIP ফিঙ্গারপ্রিন্ট: ২,০০০+ টাকা


📌 ফিঙ্গারপ্রিন্টের স্থান:

👉 Jamuna Future Park-এ ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন:

https://www.google.com/maps/search/Jamuna+Future+Park+Fingerprint+Center/


---


৪. ফাইল জমা দেওয়া (File Submission)


✅ এজেন্সির RL (Reference List) অনুযায়ী ফাইল জমা দিন।


📌 উদাহরণ:


RL 001-500 হলে বৃহস্পতিবার ফাইল জমা দিতে হবে।


বৃহস্পতিবার জমা দিলে রবিবারের মধ্যে ভিসা পেয়ে যাবেন।


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ আপডেট:


মেডিকেল আপডেটের জন্য কমপক্ষে ৩ দিন সময় লাগে।


এম্বাসিতে ফাইল জমা দেওয়ার কমপক্ষে ৫ দিন আগে এজেন্সিতে ফাইল জমা দিন।


---


৫. ৩ দিনের টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ (3-Day Technical Training)


✅ যারা নতুন সৌদি যাচ্ছেন, তাদের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ নিতে হবে।


📌 প্রশিক্ষণের সময়:


মেডিকেল "FIT" হওয়ার পরপরই প্রশিক্ষণ নিন।


পাসপোর্ট স্ক্যান কপি নিয়ে গিয়ে ভর্তি হতে পারবেন।


✅ প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট চেক করুন:

👉 PDO সার্টিফিকেট চেক করুন:

https://amiprobashi.com/Download-PDO-Certificate?action_type=enrollment


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ:

অনেক সময় ১০০ টাকা পেমেন্ট বাকি থাকলে সার্টিফিকেট দেখা যায় না, তাই সম্পূর্ণ পরিশোধ করুন।


---


৬. ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ম্যানপাওয়ার (Fingerprint & Manpower)


✅ ভিসা পাওয়ার পর শুধুমাত্র ভিসা ও পাসপোর্ট স্ক্যান কপি নিয়ে এলাকায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট করুন।


📌 ফিঙ্গারপ্রিন্ট চেক করুন:

👉 Manpower স্ট্যাটাস চেক করুন:

https://amiprobashi.com/download-clearance.html


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ:

অনেক সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার পরেও সমস্যা থাকতে পারে, তাই এজেন্সির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে নিন।


---


৭. টিকিট বুকিং ও সৌদি যাত্রা


✅ ম্যানপাওয়ার সম্পন্ন হলে বিমানের টিকিট কেটে সৌদি যেতে পারবেন।


📌 ভিসা চেক করার নিয়ম:

👉 আমার আরেকটি পোস্টে বিস্তারিত দেওয়া আছে, দেখে নিন।


---


সর্বশেষ পরামর্শ


✅ প্রতিটি ধাপে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিন।

✅ সময়মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করুন।

✅ নিয়ম মেনে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন, যাতে কোনো সমস্যা না হয়।


💬 কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন! ধন্যবাদ।

Friday, November 1, 2024


 কারো সাহায্য ছাড়াই নিজে কীভাবে পাসপোর্ট করবেন.. বাংলাদেশে পাসপোর্ট করার জন্য আপনি নিজেই আবেদন করতে পারেন। ই-পাসপোর্ট (ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট) করতে হলে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে, যা সহজভাবে সম্পন্ন করা যায়। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো:


ধাপ ১: আবেদন ফর্ম পূরণ

************************

১.১. ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ-

প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে।


১.২. রেজিস্ট্রেশন-

যদি আপনি নতুন ব্যবহারকারী হন, তাহলে "Create Account" বা "নতুন একাউন্ট তৈরি করুন" অপশনে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করবেন। রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনাকে নিচের তথ্য দিতে হবে:

- নাম

- ইমেইল আইডি

- মোবাইল নম্বর

- পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে

এরপর আপনার মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) যাবে, যা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।


১.৩. ফর্ম পূরণ-

লগইন করার পর আপনাকে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। এই ফর্মে নিচের তথ্যগুলো চাওয়া হয়:

- ব্যক্তিগত তথ্য (নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা)

- জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (NID)

- পেশাগত তথ্য (যদি প্রযোজ্য হয়)

- পাসপোর্টের ধরন নির্বাচন (৫ বছর বা ১০ বছরের মেয়াদ)


১.৪. ফর্ম সাবমিশন ও প্রিন্ট-

আপনি যখন অনলাইনে ফর্ম পূরণ করবেন, তখন আপনাকে তা যাচাই করতে হবে। যাচাই করার পর ফর্মটি সাবমিট করে তার প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করুন। এটি পরবর্তীতে প্রয়োজন হবে।


ধাপ ২: পাসপোর্ট ফি জমা করা

***************************

২.১. ফি নির্ধারণ-

আপনার ই-পাসপোর্টের জন্য ফি নির্ধারিত থাকে। এর উপর নির্ভর করে আপনার জমা দিতে হবে:

**৫ বছরের মেয়াদ (৪৮ পৃষ্ঠা): সাধারণ ৩,৪৫০ টাকা (দ্রুত ফি ৬,৯০০ টাকা)

**১০ বছরের মেয়াদ (৬৪ পৃষ্ঠা): সাধারণ ৫,৭৫০ টাকা (দ্রুত ফি ৯,২০০ টাকা)


২.২. ফি জমা দেওয়ার পদ্ধতি-

আপনি নিচের যেকোনো মাধ্যম দিয়ে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন:

**ব্যাংক ডিপোজিট: নির্দিষ্ট ব্যাংকে গিয়ে সরাসরি জমা দিতে পারেন।

**অনলাইন পেমেন্ট: ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন বিকাশ, নগদ), অথবা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে অনলাইন পেমেন্ট করতে পারেন।


ধাপ ৩: বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান

****************************

৩.১. নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিতি-

আপনার ফর্ম এবং ফি জমা দেওয়ার পর আপনাকে একটি তারিখ দেওয়া হবে। সেই তারিখে নির্দিষ্ট পাসপোর্ট অফিস বা ই-পাসপোর্ট সেন্টারে উপস্থিত হতে হবে।


৩.২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-

বায়োমেট্রিক তথ্যের দিন আপনার সাথে নিচের কাগজপত্রগুলো নিয়ে যাবেন:

**প্রিন্ট করা আবেদন ফর্ম

**জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম সনদ

**আগের পাসপোর্ট (যদি থাকে)

**পাসপোর্ট ফি জমার রশিদ


৩.৩. বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া-

সেন্টারে গিয়ে আপনাকে নিচের কাজগুলো করতে হবে:

**আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙুলের ছাপ)

**আপনার ছবি তোলা হবে

**স্বাক্ষর প্রদান


ধাপ ৪: পাসপোর্ট সংগ্রহ

*********************

৪.১. পাসপোর্ট প্রস্তুতির সময়

বায়োমেট্রিক তথ্য জমা দেওয়ার পর পাসপোর্ট প্রস্তুতির জন্য কিছু সময় নেয়। সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ কর্মদিবস সময় লাগতে পারে, যদি দ্রুত সেবা না নেন।


৪.২. এসএমএস নোটিফিকেশন-

পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে আপনাকে মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। এছাড়াও ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে লগইন করেও আপনার পাসপোর্টের অবস্থা দেখতে পারবেন।


৪.৩. পাসপোর্ট সংগ্রহ-

এসএমএস পাওয়ার পর নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং প্রাপ্তি স্লিপ দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।


পাসপোর্ট প্রক্রিয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস

************************************

**সব সময় ফর্ম পূরণ করার সময় সঠিক তথ্য প্রদান করবেন।

**ফি জমা দেওয়ার পর রশিদটি সাবধানে রাখুন।

**ছবি তোলার দিন পরিষ্কার পোশাক পরিধান করবেন এবং মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে (ধূসর ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি তোলা হয়)।


আপনি পুরো প্রক্রিয়াটি নিজে সম্পন্ন করতে পারেন, কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন নেই।

(সংগৃহীত)

Thursday, March 21, 2024

 যারা ভিজিট ভিসায় এসেছেন, তাদের উদ্যেশ্যে পরামর্শ -

* কেউ যদি আপনাকে বলে ১৫ শত ডলারের বিনিময়ে আপনাকে কানাডা- আমেরিকার বর্ডার ক্রস করিয়ে আমেরিকায় ঢুকার ব্যবস্থা করে দিবে, তবে রাজি হবেন না। 

ধরা পরলে জেল হবে। গিয়ে রিফুজি ক্লেম করলে আগামী ২০ বছরের মধ্যেও আপনি আমেরিকার গ্রীন কার্ড পাবেন না। দেশে স্ত্রী সন্তান রেখে এসেছেন। আগামী ২৫ বছর শুধু তাদের জন্য ডলার পাঠাতে পারবেন, তাদের কাছে গিয়ে একত্রে এক মুহুর্ত কাটানোর সুযোগ পাবেন না। আপনার বর্তমানের ছোট সন্তান ২৫ বছর পর বিয়ে করে বাবা মা হবে, আপনি নানা দাদা হবেন কিংবা নানী দাদী হবেন , কিন্তু সন্তানের  বিয়েতেএ যেতে পারবেন না। আপনার রেখে আসা বৃদ্ধ বাবা মা কে দেখতেও যেতে পারবেন না। হ্যা , যেতে পারবেন, গেলে আর আমেরিকা ফিরে আসতে পারবেন না। ডলার ইনকাম বন্ধ হয়ে যাবে।এমন জীবন কারো কাম্য নয়। 

# গোলাম কবীর, টরন্টো, কানাডা।

Sunday, March 17, 2024

 

স্পেনের ভিজিট ভিসা প্রাপ্তির জন্য নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস প্রয়োজন:


1. ভ্রমণের উদ্দেশ্য: স্পেনে ভ্রমণের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে, যেমন পর্যটন, ব্যবসায়, পরিবারের সদস্যের সাথে মিলন, ইত্যাদি।


2. ভ্রমণের ব্যবস্থা: আপনার স্পেন পর্যটন ব্যবস্থা সংক্রান্ত তথ্য, যেমন হোটেল রিজার্ভেশন বা অন্যান্য বাস্তবায়ন।


3. পাসপোর্ট: আপনার পাসপোর্ট আপনার ভ্রমণের মেয়াদের মাথায় থাকতে হবে এবং ভ্রমণের তারিখের পরে কমপক্ষে ৩ মাসের জন্য বৈধ থাকতে হবে।


4. ভ্রমণ ইতিহাস: আগের ভ্রমণের ইতিহাস, স্পেনে আপনার অবস্থান, ভ্রমণের সময়কাল, ইত্যাদি সম্পর্কে প্রমাণপত্র।


5. আর্থিক সক্ষমতা: ভ্রমণের জন্য যথেষ্ট অর্থ সমর্থন, যেমন ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ব্যাকআপ কার্যাবলী, ইত্যাদি।


6. ভ্রমণ বীমা: ভ্রমণের সময় স্পেনে কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য বীমা অনুমোদন প্রমাণ করতে হবে।


এই ছাড়াও, আপনার ভিসা আবেদনের প্রসেসিং টাইম এবং অন্যান্য আবশ্যিক তথ্যের জন্য স্পেন সফর বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। সাহায্যের জন্য আপনি এছাড়াও স্থানীয় ভিসা কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে পারেন।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।


 কানাডা ভিজিট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সমূহঃ


– ২ কপি সদ্য তোলা রঙ্গিন ছবি (পাসপোর্ট সাইজ, সাদা বাকগ্রাউন্ড, ম্যাট পেপার ল্যাব প্রিন্ট) ।

– ৬ মাস মেয়াদের পাসপোর্ট।


– পাসপোর্টের ১ ও ২ নং পাতার ফটোকপি (পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই তা সাথে নিতে হবে)

– জাতীয় পরিচয় পত্র- এর ফটোকপি (বাচ্চাদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ-এর ফটোকপি।


– ইংরেজী অক্ষরে ছাপা দুই কপি ভিজিটিং কার্ড ( ব্যবসায়ী ও চাকুরিজীবি উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য )।

– ৬ মাস ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট (ব্যাংকের সীল ও স্বাক্ষর সহ অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি)


– ট্রেড লাইসেন্স –এর ফটোকপি সহ ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।

– কোম্পানির দুই কপি ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি ( ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)


– সদ্য বিবাহিত ক্ষেত্রে নিকাহ নামা এর ফটোকপি সহ ইংরেজী অবুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি।

– N.O.C –নো অবজেকশন সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি (বেসরকারি চাকুরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)


– অবসরের কাগজ এর ফটোকপি ইংরেজী অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।

– স্টুডেন্ট আইডি কার্ড অথবা সর্বশেষ বেতন রশিদের ফটোকপি (ছাত্র/ ছাত্রীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)


উপরে উল্লেখিত ডকুমেন্টস গুলো সংগ্রহ করে যদি আপনি কানাডা ভিজিট ভিসার জন্য এপ্লাই করেন, আশা করি খুব অল্প সময়ে আপনি কানাডা ভিজিট ভিসা পেয়ে যাবেন।

Saturday, October 14, 2023

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা

 



১) পাসপোর্ট সাইজের ছবি ১টা

২) নিজের নামের অথবা বাবা বা মায়ের নামের পরিশোধিত বিদ্যূত বিলের ফটোকপি ১টা

৩) সর্বশেষ পড়ালেখা করা সার্টিফিকেট এর ফটোকপি ১টা

৪) জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ১টা

৫) এমবিবিএস ডাক্তারের নিকট থেকে প্রত্যয়নপত্র ১টা


২ থেক ৫ নং পর্যন্ত সবগুলো কাগজ এফোর সাইজের পেপারে ফটোকপি করতে হবে

 সৌদি যাওয়ার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া: গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা যারা সৌদি যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বা ইতোমধ্যে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন, তাদের জন্য...